Wednesday, 16 July 2014
আমাদের বাংলা: আমাদের বাংলা: ছি তোমাদের ছি !
আমাদের বাংলা: আমাদের বাংলা: ছি তোমাদের ছি !: আমাদের বাংলা: ছি তোমাদের ছি ! : ছি তোমাদের ছি ! Posted by Ahmed Hussain Bablu on July 12, 2014 at 12:32pm এ কোথাকার সভ্যতা আর এ কোন...
Sunday, 14 September 2008
Poetry Colleciton
কথা রাখতে পারিনি
- রফিক আজাদ
একদিন কথা দিয়েছিলাম তোমাকে
উপহার দেবো এমন একটি ঘর
যে-ঘরের দাওয়ায় বসে পড়বে এমন দৈনিক
যে-কাগজে কোনো দুঃসংবাদ ছাপা হবে না কোনোদিনই;
এই যুব্দ শেষ হলে আর কেনো গুলির শব্দ
তোমাকে শুনতে হবে না কোনোদিনই;
বাকিটা জীবনে তুমি
আর কোনো মায়ের বুক খালি হতে দেখবে না;
প্রীতি-সম্ভাষণ ছাড়া অন্য কোনো
শ্লোগান শুনতে হবে না তোমাকে কোনোদিনই;
দেশব্যাপী কর্মযজ্ঞ ছাড়া
চোখে আর কোনো পীড়াদায়ী যজ্ঞের আয়োজন দেখবে না;
এই দিন শেষ হলে
এক বিন্দু রক্তও ঝরবে না আর বিশাল বাঙলায়।
মানুষের চোখেমুখে শুধু সুখ, তৃপ্তি আর
আনন্দ ছাড়া কিছুই থাকবে না...
আমি তোমার কথা রাখতে পারিনি, প্রিয়তমা!!
বাড়ি ফেরার পথ
- বেলাল চৌধুরী
দ্যাখো, দ্যাখো ওই ফুটপাতে পড়ে আছে সে
ছিন্ন-ভিন্ন মলিন জামা আর ছেঁড়া-খোঁড়া নোংরা পাৎলুনে,
এক ফালি হাসির মতো লেগে আছে ঠোঁটে
গত রাতের মন্দভাগ্য ;
একদিন ছিলো তার ভবিষ্যৎ প্রেমে স্বপ্নে
সুবর্ণমুদ্রায় অফুরন্ত
যা সে নির্বিচারে ফুঁকে দিয়েছে বেপরোয়া ও উদ্দাম।
কোনো ভালো কিংবা মন্দের জন্য তার প্রয়াস ছিলো নিরন্তর
বেরিয়েছিলো এক উৎসের সন্ধানে,
যা সে খুঁজে পায়নি কখনো,
গন্ধ ও খনিজ শিলার স্তর
গলিত রূপো, রতœ, পাথর যে-কোনো।
‘বিশ্বাস’, ‘সত্য’ এসব পাপ না আশীর্বাদ জানতো না সে
অথবা কোন্টা ভালোÑ
স্বর্গের সিঁড়ি বেয়ে ওঠা
না জাহান্নামে যাওয়া
শুধুই সে দেখেছিলো পথে অনেক, অনেক কঙ্করাবৃত খাদ
ও নরকঙ্কাল, হাড়ের পাহাড়ে লোল বাজনার ঐকতান।
সে ছিলো কবি, প্রকৃত ঈশ্বর প্রেরিত, প্রেমিক
তীর্থযাত্রী, পরিব্রাজক, হয়তোবা প্রচারক
- এবং বন্ধু ও স্বজনদের কাছে এক ভয়ানক জীবন্ত সমস্যা
(এবং তখনই ওরা সমবেতভাবে ওকে ছুঁড়ে মেরেছিলো পাথরখণ্ড,
পরিয়েছিলো রাশি-রাশি থুতুর মালা)
চলন্ত পরস্পরবিরোধী দুই বিপরীতের সমাহার
যার খানিকটা আসল, খানিকটা পরকলা
খানিকটা নকল, খানিকটা বাস্তব-
তার বাড়ি ফেরার পথ ছিলো অনেক দীর্ঘ আর একলা
এবং ছিলো সম্পূর্ণ ভুল নির্দেশে ভরপুর।
সে চেখেছে ভাল-মন্দ তোমাদের শোবার খাটে,
তোমাদের শুঁড়িখানায়-
আজকের জন্য সে বেচে দিয়েছিলো আগামীকালকে
এইসব স্খলন-পতন থেকে পালাতে গিয়ে, প্রভু
হাত বাড়িয়েছিলো সে নক্ষত্রে (নক্ষত্রদল তখন হিম, মৃত)
আর তখনই হলো সে বিপথগামী ও বাস্তুচ্যুত ;
এবং একে-একে পথেই হারালো তার অবলম্বন
ভালবাসার যা কিছু ছিলো অবশিষ্ট।
অনেক-অনেক ভুল তথ্য ও নির্দেশে ছিলো কণ্টকিত
অনেক দীর্ঘ আর একা তার বাড়ি ফেরার পথ।
- রফিক আজাদ
একদিন কথা দিয়েছিলাম তোমাকে
উপহার দেবো এমন একটি ঘর
যে-ঘরের দাওয়ায় বসে পড়বে এমন দৈনিক
যে-কাগজে কোনো দুঃসংবাদ ছাপা হবে না কোনোদিনই;
এই যুব্দ শেষ হলে আর কেনো গুলির শব্দ
তোমাকে শুনতে হবে না কোনোদিনই;
বাকিটা জীবনে তুমি
আর কোনো মায়ের বুক খালি হতে দেখবে না;
প্রীতি-সম্ভাষণ ছাড়া অন্য কোনো
শ্লোগান শুনতে হবে না তোমাকে কোনোদিনই;
দেশব্যাপী কর্মযজ্ঞ ছাড়া
চোখে আর কোনো পীড়াদায়ী যজ্ঞের আয়োজন দেখবে না;
এই দিন শেষ হলে
এক বিন্দু রক্তও ঝরবে না আর বিশাল বাঙলায়।
মানুষের চোখেমুখে শুধু সুখ, তৃপ্তি আর
আনন্দ ছাড়া কিছুই থাকবে না...
আমি তোমার কথা রাখতে পারিনি, প্রিয়তমা!!
বাড়ি ফেরার পথ
- বেলাল চৌধুরী
দ্যাখো, দ্যাখো ওই ফুটপাতে পড়ে আছে সে
ছিন্ন-ভিন্ন মলিন জামা আর ছেঁড়া-খোঁড়া নোংরা পাৎলুনে,
এক ফালি হাসির মতো লেগে আছে ঠোঁটে
গত রাতের মন্দভাগ্য ;
একদিন ছিলো তার ভবিষ্যৎ প্রেমে স্বপ্নে
সুবর্ণমুদ্রায় অফুরন্ত
যা সে নির্বিচারে ফুঁকে দিয়েছে বেপরোয়া ও উদ্দাম।
কোনো ভালো কিংবা মন্দের জন্য তার প্রয়াস ছিলো নিরন্তর
বেরিয়েছিলো এক উৎসের সন্ধানে,
যা সে খুঁজে পায়নি কখনো,
গন্ধ ও খনিজ শিলার স্তর
গলিত রূপো, রতœ, পাথর যে-কোনো।
‘বিশ্বাস’, ‘সত্য’ এসব পাপ না আশীর্বাদ জানতো না সে
অথবা কোন্টা ভালোÑ
স্বর্গের সিঁড়ি বেয়ে ওঠা
না জাহান্নামে যাওয়া
শুধুই সে দেখেছিলো পথে অনেক, অনেক কঙ্করাবৃত খাদ
ও নরকঙ্কাল, হাড়ের পাহাড়ে লোল বাজনার ঐকতান।
সে ছিলো কবি, প্রকৃত ঈশ্বর প্রেরিত, প্রেমিক
তীর্থযাত্রী, পরিব্রাজক, হয়তোবা প্রচারক
- এবং বন্ধু ও স্বজনদের কাছে এক ভয়ানক জীবন্ত সমস্যা
(এবং তখনই ওরা সমবেতভাবে ওকে ছুঁড়ে মেরেছিলো পাথরখণ্ড,
পরিয়েছিলো রাশি-রাশি থুতুর মালা)
চলন্ত পরস্পরবিরোধী দুই বিপরীতের সমাহার
যার খানিকটা আসল, খানিকটা পরকলা
খানিকটা নকল, খানিকটা বাস্তব-
তার বাড়ি ফেরার পথ ছিলো অনেক দীর্ঘ আর একলা
এবং ছিলো সম্পূর্ণ ভুল নির্দেশে ভরপুর।
সে চেখেছে ভাল-মন্দ তোমাদের শোবার খাটে,
তোমাদের শুঁড়িখানায়-
আজকের জন্য সে বেচে দিয়েছিলো আগামীকালকে
এইসব স্খলন-পতন থেকে পালাতে গিয়ে, প্রভু
হাত বাড়িয়েছিলো সে নক্ষত্রে (নক্ষত্রদল তখন হিম, মৃত)
আর তখনই হলো সে বিপথগামী ও বাস্তুচ্যুত ;
এবং একে-একে পথেই হারালো তার অবলম্বন
ভালবাসার যা কিছু ছিলো অবশিষ্ট।
অনেক-অনেক ভুল তথ্য ও নির্দেশে ছিলো কণ্টকিত
অনেক দীর্ঘ আর একা তার বাড়ি ফেরার পথ।
Subscribe to:
Posts (Atom)
